তখন সন্ধ্যা বেলা বইছিল বসন্তের বাতাস,
হাসছিল আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ ,
লেগেছিল ফাগ বনের আকাশে বাতাসে,
ভেসে আসা গানের সুরের সাথে মন গিয়েছিল মিসে।
ছিলেনা তুমি কাছে তখন ,
পাইনি তোমার মনের ছোঁয়া,
ভেবেছিলাম একটি কথা বলব তোমায় আজ,
কাজের ভীড়ে তুমি তখন ছিলে অন্যমনে।
ঝরে পড়া বকুলের গাঁথা একলার পথ
রেখেছিলাম তোমার জন্য,
খোপায় জড়াবে বলে।
মেঘে ঢাকলো আকাশ হঠাৎ,
হারিয়ে গেলো চাঁদের আলো,
পথ হারালে অন্ধকারে এলেনা তাই কাছে।
হলোনা বলা কথা আমার হারালো সেই সুর,
উদাসী হাওয়া হারিয়ে গেল ঢাকল আকাশ মেঘে।
পথের কাছে পড়েছিলো বাসি ফুলের মালা,
সবার পায়ে ছিন্ন হয়ে রইলো অবহেলায়,
জানলেনা তো কোনোদিন একটি বকুল মালা
বসন্তের উদাস হাওয়ায় নদীর পাড়ে চাঁদের আলোয়
গেঁথেছিল কেউ কোনোদিন তোমায় দেবে বলে।।
হাসছিল আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ ,
লেগেছিল ফাগ বনের আকাশে বাতাসে,
ভেসে আসা গানের সুরের সাথে মন গিয়েছিল মিসে।
ছিলেনা তুমি কাছে তখন ,
পাইনি তোমার মনের ছোঁয়া,
ভেবেছিলাম একটি কথা বলব তোমায় আজ,
কাজের ভীড়ে তুমি তখন ছিলে অন্যমনে।
ঝরে পড়া বকুলের গাঁথা একলার পথ
পারমিতা চ্যাটার্জী
আমি তো শুধু তোমায় ভালোবেসেই হেঁটে চলছিলাম
একটার পর একটার পথ,
শুধু বুঝিনি শেষ হল কখন ভালোবাসার পথ,
কখন ডাল ছিঁড়ে পড়ে গেছে প্রথম ভালোবাসার
প্রথম কুড়িখানি।
তবু তুমি আছ আসা যাওয়ার মাঝঘানে,
শূণ্য মনের গওহ্বর জুড়ে,
বৃষ্টি রাতের ভিজে যাওয়া স্মৃৃতির হাত ধরে,
খোয়াইয়ের চড়াই উতরাইয়ের রাস্তার ঢালে
আমার সমস্ত অন্তর জুড়ে।
ছিড়ে পড়ে যাওয়া কুড়িখানা রাখা আছে
হৃদয়ের গোপন ভাণ্ডারে।
রাতের নীরবতায় যখন তারাগুলো লুটোপুটি খায়
নিঃসঙ্গ শয্যায়,
তখন শুকনো কুড়িটাকে বার করে হেঁটে যাই
অতীতের হাত ধরে।
হয়তো এভাবেই হেঁটে যাব দূরে অন্যকোনখানে,
ভয় নেই গো তোমায় আর ডাকবনা,
আমার নীরবতার কোণটি আধার ঘরে
আপনি দুলে যাবে,
সাথী হীন নিস্তব্ধ রাতের মতন। মালা,রেখেছিলাম তোমার জন্য,
খোপায় জড়াবে বলে।
মেঘে ঢাকলো আকাশ হঠাৎ,
হারিয়ে গেলো চাঁদের আলো,
পথ হারালে অন্ধকারে এলেনা তাই কাছে।
হলোনা বলা কথা আমার হারালো সেই সুর,
উদাসী হাওয়া হারিয়ে গেল ঢাকল আকাশ মেঘে।
পথের কাছে পড়েছিলো বাসি ফুলের মালা,
সবার পায়ে ছিন্ন হয়ে রইলো অবহেলায়,
জানলেনা তো কোনোদিন একটি বকুল মালা
বসন্তের উদাস হাওয়ায় নদীর পাড়ে চাঁদের আলোয়
গেঁথেছিল কেউ কোনোদিন তোমায় দেবে বলে।।
No comments:
Post a Comment